বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন

ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত বিএনপি, আশাবাদী আ.লীগ

কল্লোল রায়:
  • Update Time : রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১

সারাদেশে ৩য় ধাপে ৬৪ পৌরসভার নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর চলছে প্রচার-প্রচারণা। এরই অংশ হিসেবে নির্বাচনী হাওয়া বইছে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভাতেও। আগামী ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভ করতে মেয়র প্রার্থীরা নিজ নিজ রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য দিন-রাত ছুটে চলছেন। মেয়র পদে ৩ জন প্রতিদন্দি থাকলেও আ.লীগ সামর্থীত নৌকা মার্কার প্রার্থীর অন্য দুই প্রার্থীর থেকে এগিয়ে আছেন প্রচার­-প্রচারণায়।

৩০ জানুয়ারি নির্বাচনে জয় নিশ্চিত্ করতে ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে মরিয়া প্রার্থীরা এবং তাদের সমর্থিত দলের নেতাকর্মীরা। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করতে দেখা যাচ্ছে তাদের।তবে ভোটারদের দাবি নির্বাচনের মাঠে নৌকা মার্কার পক্ষের নেতাকর্মীদের অন্যান্য প্রার্থীদের থেকে তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে, এর পেছনে স্বাধীনভাবে প্রচারণা চালাতে বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে দায়ী করছে বিএনপি প্রার্থী।

শনিবার(২৩ জানুয়ারি) বিকেলে প্রশাসনের সাথে প্রতিদন্দি প্রার্থীদের মতবিনিময়কালে বিএনপি প্রার্থী তার কর্মীদের মাঠে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেন।আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থী তার বক্তব্যে নির্বাচনে বিএনপির কালো টাকার প্রভাব কমানোর দাবী করেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আশাবাদী তিনি। তবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্ সকল প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে ৩ জন মেয়র প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলর পদে ৫১ জন এবং সংরক্ষিত আসনে মহিলা কাউন্সিলর পদে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদন্দিতা করছেন। এছাড়াও ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৩৭৯১৫ জন ভোটারের জন্য মোট ১৮টি ভোটকেন্দ্রের ১১৩টি ভোটকক্ষে এবারের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায় উলিপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস। ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় ৫৫৯৮ জন ভোটার নিয়ে সবথেকে বড় ৬ নং ওয়ার্ড এবং মাত্র ৯১৮ জন ভোটার নিয়ে সবথেকে ছোট ৭ নং ওয়ার্ড। পুরুষ কাউন্সিলর পদে মোট ৫২ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিলেও যাচাই-বাছাইয়ে ২ জনের প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।পরে তারা জেলা প্রশাসকের নিকট আপিল করলেও ১ জন প্রার্থী প্রার্থীতা বহাল রাখতে সক্ষম হন। গত ১১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হয় প্রচার প্রচারণা।

হলফনামার তথ্যমতে, আ.লীগ সমর্থীত নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব মামুন সরকার মিঠু পেশায় ব্যবসায়ী। শিক্ষাগত যোগ্যোতা স্নাতোকত্তর পাশ। ব্যাবসা থেকে তার বার্ষিক আয় চার লাখ ৭৩ হাজার ৪১৭ টাকা।নগদ অর্থের পরিমাণ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা।বিএনপি সামর্থিত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী হায়দার আলী মিঞার পেশা ব্যবসা। শিক্ষাগত যোগ্যোতা বিএ পাশ। তিনটি মামলার দুটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় চার লাখ টাকা। নগদ অর্থের পরিমাণ ৩৪ লাখ ২১ হাজার ৪১৯ টাকা।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সামর্থিত হাতপাখা মার্কার প্রার্থী আতাউর রহমানের পেশা ব্যাবসা। শিক্ষাগত যোগ্যোতা দাখিল পাশ। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা চলমান তার বিরুদ্ধে। কৃষি খাত এবং ব্যবসা থেকে তার মোট বার্ষিক আয় তিন লাখ ৮৫ হাজার টাকা।নগদ অর্থের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikjonokotha.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com