মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

বিরামপুর থানার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে ব্যাপক প্রশংসনীয় ওসি মনিরুজ্জামান

নয়ন হাসান, দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

দিনাজপুরের গুরুত্বপূর্ণ থানা হিসেবে পরিচিত বিরামপুর থানা। সেই গুরুত্বপূর্ণ থানায় ওসি হিসেবে গত ৩০সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে ওসি মনিরুজ্জামান যোগদান করেন বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে। ওসি মনিরুজ্জামান যোগদানের পর থেকেই পাল্টে যায় বিরামপুর থানার চিত্র। আলোচনা এবং সমালোচনার মধ্যদিয়ে তিনি বিরামপুর থানার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

বেশকিছু উল্লেখযোগ্য অভিযান পরিচালনা করে যেমন আলোচনায় আসেন, তেমনি কিছু সমালোচনার মধ্যে পরেন। কিন্তু সমালোচনার কোন তোয়াক্কা না করে মাদক-সন্ত্রাস ও ভূমি দস্যু বাল্যবিবাহমুক্ত শান্তির জনপদ হিসেবে বিরামপুর থানাকে গড়তে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ওসি মনিরুজ্জামান। বিরামপুর উপজেলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদক-সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রনে ওসি মনিরুজ্জামানের ভূমিকা সর্বস্তরে প্রশংসনীয়।

এছাড়াও তিনি সফলতার সাথে বিভিন্ন অস্ত্র-মাদকের অভিযান পরিচালনা করায়, সাহসিকতার সাথে অপরাধীদের গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সক্ষমতার পরিচয় দেওয়ার কারণে বারবার একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সাথে পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, করোনাকালীন সময়ে বিরামপুর উপজেলার কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি এবং বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্যের হাতও। করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে জনসচেতনামূলক লিফলেট, মাস্ক বিতরণ থেকে শুরু করে, অসহায়দের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণেও বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন ওসি মনিরুজ্জামান । তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাল্যবিবাহ, মাদক-সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যখ্যাত বিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন আগের তুলনায় (মাদক-সন্ত্রাস) নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে।

শুধু তাই নয়, তিনি যোগদানের পর থেকে থানা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ডও দিন দিন কমে আসতে শুরু করেছে। তিনি ওসি হিসেবে যোগদানের পর বিরামপুর থানা এখন প্রায় দালালমুক্ত। তিনি বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তার কোন ছাড় নেই। অপরাধীরা যেন অপরাধ করে পার না পায় সে বিষয়েও তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ, ভূমি দস্যুদের কাছে ওসি মনিরুজ্জামান এখন এক আতংকের নাম।

ওসি মনিরুজ্জামান দৈনিক জনকথাকে বলেন, পুলিশ সর্বদাই জনগনের বন্ধু এবং জনগনের জানমাল রক্ষার প্রহরী। পুলিশ-জনতা যদি এক সাথে মিলে কাজ করি এবং জনগণ যদি পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতা করে তাহলে দেশ থেকে অপরাধ কমে যাবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। আমি মনে করি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করাই পুলিশের কাজ। কর্মজীবনে আমি নিজেকে মানব সেবক হিসেবে পরিচিত করতে চাই এবং মানুষের সেবার কল্যাণে নিজেকে কাজে লাগাতে চাই। তাই আমি যেখানে যাই আমার কর্মদক্ষতার মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ নিয়ে সর্বদা কাজ করি। আমি সর্বদাই মনে করি থানা হোক সাধারণ মানুষের সেবার আশ্রয়স্থল। সেজন্য আমি আমার অধিনস্থ অফিসারদের সর্বদা নির্দেশ দিয়ে থাকি তারা যেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সেবায় কাজ করে।

আমি বিরামপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর থেকে আমার সাধ্যমত যতটুকু পেরেছি আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জের সাথে কাজ করে যাচ্ছি। আমি যদি দীর্ঘসময় পাই বিরামপুর থানাকে শান্তির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikjonokotha.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com