বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

প্রস্তুতি প্রায় শেষ,অনুমতি মিললোনা কুড়িগ্রামের ইজতেমার

কল্লোল রায়:
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১

করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে সব ধরনের জামায়াত,সভা-সমাবেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে আগামী কুড়িগ্রাম সদরের ধরলা ব্রিজের পূর্বপাড়ে আগামী ১১মার্চ থেকে ১৪ মার্চ সকাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইজতেমার অনুমতি নামঞ্জুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার(৯মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি আদেশ কুড়িগ্রাম প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসে পৌঁছেছে।

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার,সদর উপজেলা ইউএনও,কুড়িগ্রাম সদর থানা সহ একাধিক অফিসে আসা এই আদেশে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ , মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা হতে প্রাপ্ত ৩০ জুন ২০২০ খ্রিঃ তারিখের ১২৩ নং পত্রে করােনা ভাইরাস ( কোভিড -১৯ ) এর কারণে সকল প্রকার সভা , সমাবেশ , গণজমায়েত অনুষ্ঠান আয়ােজন বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে ।উক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এ কার্যালয়ে ২০ জুলাই ২০২০ খ্রিঃ তারিখের ৪৬৭ নং স্মারকে সকল প্রকার সভা , সমাবেশ , গণজমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়ােজন বন্ধ রাখার বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়েছে । এমতাবস্থায় , মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রদত্ত নির্দেশনার আলােকে তার দাখিলকৃত আবেদনটি নামঞ্জুর করা হলো।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদেশের কপি হাতে আসার পর ইজতেমা প্রাঙ্গণ গিয়ে দেখা যায় তাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। শেষ মহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ব্যাস্ত সেচ্ছাসেবীরা।এবং ইতোমধ্যে কিছু মুসল্লী তাবু টেনে থাকা শুরু করেছে।


বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, অনুমতির জন্য ১মাস আগে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের পরামর্শ মোতাবেক সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।প্রশাসন মৌখিকভাবে অনুমতি দিয়েছে,আশ্বস্ত করেছে। আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।এখন যদি কোন ব্যাত্যয় ঘটে তাহলে সবার কাছে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হবো।

আয়োজক কমিটির প্রচার উপকমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মোমেন রাত ১০ টার দিকে মুঠোফোনে জানান, আমরা আয়োজক কমিটির সদস্যরা এব্যাপারে বৈঠক করছি। আলোচনা শেষে আমরা সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবো।

এব্যাপারে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা বলেন,আদেশের কপি আমরা পেয়েছি। তারা এখনো অনুমতি পায়নি।তারা একাধিকবার আমাদের কাছে এসেছিলো,কিন্তু অনুমতি দেয়া হয়নি।

এব্যাপারে জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম জানান, তারা এখনো কোন অনুমতি পায়নি। আমাদের কাছে আবেদন করেছিলো কিন্তু অনুমতি দেয়া হয়নি।তারা যদি তারপরেও করতে চায় তাহলে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বহুবছর থেকে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হওয়া এই ইজতেমায় প্রতি বছর কুড়িগ্রাম জেলা সহ বিভিন্ন জেলার প্রায় ১০ লক্ষ্য মুসল্লী অংশগ্রহণ করে বলে জানায় আয়োজকেরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikjonokotha.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com