সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ফুলবাড়ীতে কঠোর লকডাউন কার্যকরে কঠোর প্রশাসন ফুলবাড়ীতে তরুণদের উদ্যোগে বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা চালু কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৫শ দুস্থ্য পরিবার পেল ঈদ উপহার লালমনিরহাট পৌরবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, জনতার মেয়র রেজাউল করিম স্বপন ফুলবাড়ীতে কেটে নেয়া ধান গাছ থেকে ফের ধান উৎপাদন পঞ্চগড়ে নদী ভাঙ্গন রক্ষার দাবিতে স্থানীয়দের মানববন্ধন  জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা; সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা ফুলবাড়ীতে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সচ্ছলরা পেয়েছেন গৃহহীনদের ঘর, প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন উলিপুরে ১০ ছাত্রলীগ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

লকডাউনে রিক্সা চালকদের দুঃখ

হীমেল মিত্র অপু
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে দেশব‌্যাপী চলছে ৮ দিনের ‘কঠোর লকডাউন’। এই কারণে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যানবাহন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলের অনুমতি রয়েছে। রিকশা চালকরা বলছেন, নিম্ন আয়ের পেশাজীবীরা তাদের বাহনে চড়েন না খরচ বাঁচাতে। তারা হেঁটে হেঁটে কর্মস্থলে যান, বাসায়ও ফেরেন হেঁটে। আর মধ‌্যম ও উচ্চ আয়ের পেশাজীবীরা নিজস্ব পরিবহনে চলাচল করেন। তাই লকডাউনে বিপাকে পড়েছেন রিকশাচালকরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রংপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে রাস্তার পাশে অপেক্ষমাণ রিকশাচালক ও যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, গণপরিবহনের ভাড়া অনেক কম। এখন গণপরিবহন নেই। রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশাই শেষ ভরসা। কিন্তু এত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাওয়া আসা পোষায় না নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের।

রিকশাচালক আব্দুল খালেক। বয়স প্রায় ৫০ বছর। বাসায় মা, স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে। মা ও এক মেয়ে অসুস্থ। নিয়মিত ওষুধ কিনতে হয়। তাদের ওষুধ কেনা ও খাবার খরচ চালাতে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। একদিন কাজ না করলে সংসার চলে না।

আব্দুল খালেক বলেন, ‘পরিবারের প্রয়োজনে রাস্তায় নামতে হয়েছে। যেসব নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত কম খরছে গণপরিবহনে চলতেন, এখন তারা বেশি ভাড়ায় রিকশায় উঠতে চান না। আর উচ্চবিত্ত তো নিজেদের গাড়ি নিয়েই চলেন। লকডাউনে গাড়ি না চললেও আমাদের রিকশাচালকদের দৈনিক আয় কমে গেছে। আগে যেখানে ৫০০-৮০০ টাকার ওপরে আয় করতাম, এখন ৩০০ টাকা আয় করাও কঠিন।’

আরেক রিকশাচালক মো. হোসেন। দুই সন্তান আর স্ত্রী নিয়ে সংসার। দৈনিক ৫০০ টাকার ওপর খরচ থাকলেও আয় সেভাবে নেই। হোসেন বলেন, ‘লকডাউনে আপনারা ভাবেন, আমাদের অনেক ইনকাম। আসলে হিসাব তার উলটো। মানুষ খুব বেশি বের হয় না। যারা বের হয় রিকশায় ওঠে না। কার‍ণ তাদেরও আয় কমে গেছে। আগে গাড়িতে চলতো। এখন হেঁটে যায়। কেউ কেউ ওঠে। কিন্তু ভাড়া আহামরি বেশি নিতে পারি না।’

সোবহান উদ্দিন রিকশাচালকের সঙ্গে ভাড়া দরদাম করছিলেন। তিনি বলেন, ‘সীমিত আয়ের মানুষ আমরা। এত ভাড়া দিতে রাজকীয় চলাচল আমাদের পক্ষে তো সম্ভব না। তবু উপায় কী? অফিসে যেতে তো হবেই।’

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 dainikjonokotha.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com